প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে, কৌশলী উদ্ধার অভিযানের কারিগর ডিসি মাসুদ

জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া.

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশে অপহৃত সেই স্কুলছাত্রকে সুস্থ অবস্থায় এক ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে ঢাকার রমনা বিভাগের পুলিশ।ওই স্কুলছাত্রকে মুক্তির জন্য অপহরণকারীদের দাবিকৃত টাকা দেওয়ার প্রস্তাবে পুলিশ সাড়া দিয়ে কৌশল অবলম্বন করে ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে স্থান শনাক্তের সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেছে। রাজধানীর খিলগাঁওয়ের জোরপুকুর চামেলীবাগ এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে ছেলেটিকে উদ্ধার করা হয়।অপহৃত স্কুলছাত্রের বাবার নাম খন্দকার শামীম। তিনি সচিবালয়ের কর্মচারী। অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্রকে উদ্ধারের প্রধান কারিগর ঢাকা রমনা বিভাগ পুলিশের ডিসি মো. মাসুদ আলম।ডিসি মো. মাসুদ আলম ঘটনাটি বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, অপহৃত ছেলেটি খিলগাঁও জোরপুকুর এলাকায় অবস্থিত ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে। দুপুর আড়াইটার সময় স্কুল থেকে বের হওয়ার পর চার-পাঁচজন তাকে জোরপুকুর এলাকার পাশে চামেলীবাগ এলাকার একটি সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়।সেখানে তাকে মারধর করা হয়। এরপর ওই স্কুলছাত্রের কাছে থাকা মোবাইল দিয়ে তার বাবার নম্বরে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং দাবিকৃত টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।তার বাবা সচিবালয়ে চাকরি করেন। তিনি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি অবগত করেন।পরে প্রধানমন্ত্রী ফোন করে ছেলেটিকে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশনা দেন। এরপর পরপরই উদ্ধারের অভিযান শুরু হয়।রমনার ডিসি জানান, পুলিশ প্রথমে টাকা পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। কোন নম্বরে টাকা পাঠানো হবে, সেই নম্বরও চাওয়া হয়। তারা নম্বর দিতে দেরি করলে, পুলিশ অপহৃতের মোবাইল ট্র্যাকিং করে স্থান শনাক্তের সঙ্গে সঙ্গে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে।অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, অপহরণকারীদের ধরতে ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *