মোঃ জাকির হোসেন,কোম্পানীগঞ্জ,সিলেট.
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার লামনীগাওঁ গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের বড় ছেলে এমরানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, এমরানের শরীরে আঘাতের একাধিক চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা থেকে স্পষ্টভাবে ধারণা করা হচ্ছে—তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।জানা যায়, এমরান প্রায় দুই মাস আগে প্রবাস থেকে দেশে ফিরেছিলেন। এক মাস আগে তার বিয়ে হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই তার আবার বিদেশে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই নরপিশাচদের নির্মমতার শিকার হতে হলো এই তরতাজা যুবককে।পরিবারের অভিযোগ, হত্যার পর এমরানের মরদেহ ভারতের সীমান্ত এলাকায় ঝুলিয়ে রাখা হয়, যা পুরো ঘটনাটিকে আরও ভয়াবহ ও রহস্যজনক করে তুলেছে। প্রশ্ন উঠেছে—এত বড় একটি নৃশংস ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? একটি নিরীহ যুবকের অপরাধই বা কী ছিল?স্থানীয়দের দাবি, গ্রামাঞ্চলে শহরের মতো মাফিয়াগিরির পেছনে যারা মাস্টারপ্ল্যানে জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আবারও ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।এদিকে অভিযোগ উঠেছে, একটি রাজনৈতিক মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক নাম ভাঙিয়ে যারা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে চাইবেন, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, কয়েকজনের অপকর্মের দায় যেন কোনো বড় রাজনৈতিক দলকে বহন করতে না হয়।এছাড়া কোম্পানীগঞ্জ থানায় কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা হলে এলাকাবাসী প্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলেও জানান স্থানীয়রা।কোম্পানীগঞ্জের সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এলাকাবাসী বলেন, এত বড় একটি ঘটনা এখনও গণমাধ্যমে তেমনভাবে উঠে আসেনি। তারা আশা প্রকাশ করেন, সাংবাদিকরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরবেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে ন্যায়বিচার পেতে সহযোগিতা করবেন।