শাহজাদপুরে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদার দাবিতে বাবা-ছেলেকে সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়েছেন

শাহজাদপুরে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদার দাবিতে বাবা-ছেলেকে সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়েছেন
মোঃ গোলজার হোসেন হীরা বিশেষ প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর এলাকার দ্বারিয়াপুর বাজারে চাঁদার দাবিতে এক ব্যবসায়ী ও তার ছেলেকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) শাহজাদপুর থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—পৌরসভার দাবারিয়া মহল্লার চেনি (৪০) ও জালাল (৩০)।
এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে দ্বারিয়াপুর রবীন্দ্রনাথ কাচারি বাড়ি বাজারে কাপড় ব্যবসায়ী মানিক মিয়া (৫২) ও তার ছেলে অন্তর (২৫) সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। “সন্ত্রাসীরা যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না”—বলেন ওসি সাইফুল ইসলাম।
এদিকে এই হামলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) শাহজাদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন সর্বস্তরের মানুষ। মানববন্ধনে বক্তারা বাজারের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জোর দাবি জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদা না পেয়ে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে এই হামলা চালায়, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সার্কেল এসপি হাফিজুর রহমান এবং ওসি সাইফুল ইসলাম। এ সময় তারা দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনকালে সার্কেল এসপি হাফিজুর রহমান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজদের কোনোভাবেই শাহজাদপুরে জায়গা দেওয়া হবে না। এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”
বর্তমানে এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ বিরাজ করছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে আরো জানান তারা আরো জোরদার করেছেন এবং সব ঘটনা উদঘাটন করার তৎপর যা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *