সাহেব বাজারে অবৈধ বহুতল নির্মাণ: আরডিএ’র নির্দেশ অমান্য,কাজ চলছেই

রাজশাহী শহরের প্রান কেন্দ্র সাহেব বাজার গুড় পট্টিতে প্রধান সড়ক সংলগ্ন স্থানে মোঃ আলী হোসেন নামের এক ব্যক্তি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ও রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) এর বেশ কিছু জায়গা দখল করে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অবৈধ ভাবে বহুতল ভবন নির্মান করছে বলে জানা গেছ গেছে।পার্শ্ববর্তী দোকান মালিকগন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গত ২৫/১১/২৫ ইং তারিখ অবৈধ দখলদার আলী হোসেনের নিকট ইমারত নির্মাস আইন ১৯৫২ এর ৩ (খ) ধারা মতে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত নির্মান কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন এবং ১৭/১২/২৫ ইং তারিখ বেলা ৩-১৫ টার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র, ইমারত নির্মাণ কাজের অনুমোদিত নকসা, জমির দলিল, খতিয়ান ও খাজনা রশিদ সহ-উপস্থিত হয়ে বক্তব্য প্রদানের নির্দেশ দেন যার স্মারক নং ২৫.৪০,০০০০ /০০৫.০২.২৫৪/২৫//২৬০১উপরোক্ত পত্রের প্রেক্ষিতে গত ১৭/১২/২৫ ইং তারিখে অবৈধ ভবন নির্মান কারী জনাব আলী হোসেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক কাগজ পত্র দাখিলে ব্যার্থ হলে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ স্মারক নং ২৫,৪০.০০৫.০২.২৫৪.২৫,১৭৬৩ তাং ৩০/১২/২০২৫ এর মাধ্যমে জানানো হয়ঃ”তিনি/তাঁরা সাহেব বাজার গুড়পট্টি এলাকায় বোয়ালিয়া মৌজায় আর এস- ৫৮৭৫ নং দাগে চারতলা ইমারত নির্মাণকালে “উক্তরূপ অবৈধ নিমার্ণ কেন অপসারণ করা যাবে না” তার সন্তোষজনক জবাব প্রদানের জন্য সূত্রে বর্ণিত স্মারকের মাধ্যমে ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ এর ৩খ ধারা অনুসারে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল। তিনি/তাঁরা জবাব প্রদান করেননি। প্রতীয়মান হয়েছে যে, তিনি/তাঁরা অনুমোদন ছাড়া চারতলা ইমারত নির্মাণ করছেন। অনুমোদন ছাড়া এরূপ নিমার্ণ ইমারত নিমার্ণ আইন ১৯৫২ এর ৩ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।যেহেতু তিনি/তাঁরা উক্ত ইমারতের মালিক/ ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং যেহেতু অননুমোদিত এরূপ নিমার্ণ ইমারত নিমার্ণ আইন, ১৯৫২ এর ৩ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন; সেহেতু, আগামী ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে বর্ণিত অননুমোদিত ইমারত অপসারণের নিদের্শ প্রদান করা হলো। অন্যথায়, একই আইনের সংশ্লিট ধারার ক্ষমতাবলে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গৃহীত হবে।ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ এর ৩ (খ) ধারা অনুসারে এ নির্দেশ প্রদান করা হলো ।”গত ০১/০৩/২০২৬ ইং তাং রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বেধেদেয়া ৬০ (ষাট) দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও কোন এক অদৃশ্য ক্ষমতা বলে আলী হোসেন আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ভবন অপসারন তো দূড়ের কথা, ভবন নির্মান কাজ অব্যহত রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে পার্শ্ববর্তী-দোকান মালিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তাহলে কি “জোর যার মুল্লুক তার” এই নীতিই সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *