ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি.
একটি জীবন নিভে গেল, কিন্তু তার পরিচয় আর জানা হলো না। স্বজনহীন, নামহীন সেই যুবকের শেষ ঠিকানা হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিই —মানবিকতার ছোঁয়ায়।গত (৫ এপ্রিল) ভোরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকায় অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী এক যুবক। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর মরদেহ রাখা হয় হাসপাতালের মর্গে। পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালালেও তার কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।অবশেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে “ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর”-এর উদ্যোগে অজ্ঞাত ওই যুবকের দাফন সম্পন্ন করা হয়। সদর মডেল থানার জিডি নং ৪৯৬ (তারিখ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬) সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।এই দাফনের মধ্য দিয়ে একটি অনন্য মানবিক মাইলফলক ছুঁয়েছে সংগঠনটি—এটি তাদের ২৫০তম বেওয়ারিশ লাশ দাফনের ঘটনা।নাম নেই, ঠিকানা নেই—তবুও শেষ বিদায়ে যেন অচেনা মানুষটিও পেল মানবতার উষ্ণ স্পর্শ।