চৌদ্দগ্রাম(কুমিল্লা),ঈমাম হোসেন শরীফ.
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় রামরায়গ্রাম গার্লস স্কুল রোডের নজির বিল্ডিং এ মারকাযুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ মাদ্রাসার বারান্দায় ৭ বছরের শিশু শিক্ষার্থী সামিউল আলম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়েছে। যানা যায় ২৮ শে মার্চ শনিবার বেলা ২ টায় সামিউল আলম তার আরোও ২ জন বন্ধু নিয়ে খেলার ছলে অসাবধানতাবশত পাশ দিয়ে কাজী রাজ্জাক টাওয়ার এ বয়ে যাওয়া কারেন্ট এর ১১ হাজার কেভি ভোল্টেজ এর লাইন এ লম্বা ১ টি এস এস পাইপ দিয়ে স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গেই বৈদ্যুতিক শক এ যখম হয়ে সামিউল আলমের ডান হাত সম্পূর্ণ ঝলসে যায়। এমতাবস্থায় তার বাবা চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব বদিউল আলম নোমান খান উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে। মাদ্রাসার ভবন নজির বিল্ডিং এর পাশ ঘেঁষে পার্শ্ববর্তী কাজী রাজ্জাক টাওয়ারে ১১হাজার কেবি বিদ্যুৎ লাইনটি সঞ্চালিত হয়। এ ঘটনায় সর্বশেষ (৩০ মার্চ) দুপুরে বিউবো চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ আবাশিক প্রকৌশলী মো: ওয়াহিদুর রহমান বলেন সরেজমিনে গেলে দেখা যায় বেশিরভাগ বিল্ডিং ই উপরের দিকে যেয়ে নকশা বহির্ভূত বারান্দা তৈরি করে যাহা আমাদের কারেন্ট এর লাইন টানতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। তবে গার্লস স্কুলের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর যে অনাকাঙ্ক্ষিত দূর্ঘটনা ঘটেছে সেটার জন্য আমি অত্যন্ত ব্যাথিত এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা এই লাইনটিকে আরোও নিরাপদ করার জন্য স্বচেষ্ট হব। স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার মাদ্রাসার বারান্দায় ৭ বছরের শিশু শিক্ষার্থী স্টিলের পাইপ হাতে নিয়ে উচ্চ ভোল্টেজ সম্পন্ন করেন্ট লাইনকে স্পর্শ করলে সাথে সাথেই সেখানে দূর্ঘটনা ঘটে এবং শিশু শিক্ষার্থী সামিউলের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলশে যায়। এদিকে দূর্ঘটনায় আহত সামিউলের পিতা মাতা পূত্রের দূর্ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন এবং বলেছেন অদূর ভবিষ্যতে যেন আমার সন্তানের মতন আর কোন সন্তান এমন দূর্ঘটনার স্বীকার না হন। এদিকে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ক্বারী মাহমুদুল হাসান বলেন ভবিষ্যতে যেন এমন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই লক্ষ্যে আমি এখন থেকেই আমার বারান্দায় প্রতিবন্ধকতার ব্যবস্থা নিবো। সবশেষে বলবো, বিদ্যুৎ বিভাগ, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও আশপাশের ভবনের মালিক সকলকেই আরোও সচেতন হতে হবে তবেই বিভিন্ন দূর্ঘটনা থেকে আমরা রক্ষা পাবো।