স্টাফ রিপোর্টার:মোঃচানমিয়া শিকদার. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারির মধ্যেও এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছে। এক শ্রেণির চোর সিন্ডিকেট এ ধরনের চুরি সংঘটিত করছে বলে ধারণা এলাকাবাসীর। মাদক সেবনের অর্থ জোগানের জন্য বহিরাগত চোর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চুরির রমরমা ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণ চান এলাকাবাসী।গত ২৭/০১/২০২৬ ইংরেজি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে একই গ্রামে দুর্ধর্ষ দুটি চুরির ঘটনা ঘটে বলে ক্ষতিগ্রস্ত দুটি পরিবার দাবি করেছে।চুরিতে ক্ষতিগ্রস্ত ঘোড়াদাইড় গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হাবিল মোল্লা জানান, তার বসতঘরের সামনে ছোট একটি রুমে তালাবদ্ধ অবস্থায় তার অটোভ্যানটি রাখা ছিল। তিনি ওই ভ্যান রক্ষিত ঘরের সঙ্গে বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে চোরচক্র তিন থেকে চারটি তালা কেটে অটোভ্যানটি চুরি করে নিয়ে যায়। ভ্যানটির বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক আশি হাজার টাকা।ভ্যানটি হারিয়ে অসহায় কৃষক হাবিল মোল্লা মানবেতর জীবনযাপন করছেন, কারণ এই ভ্যানটিই ছিল তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস।অন্যদিকে, একই রাতে ঘোড়াদাইড়ের রায়পাড়া এলাকায় মতলব ভূঁইয়ার একটি গরু চোরচক্র ট্রাকে করে চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তবে এ বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করার আগে জনাব মতলব ভূঁইয়ার সঙ্গে কোনো কথা বলা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এভাবে প্রতিনিয়ত চুরি হতে থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি হবে। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পুলিশ ও গ্রাম চৌকিদারদের টহল বাড়িয়ে এলাকায় আরও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।স্থানীয় সূত্রের বরাতে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বলেন, চুরির প্রবণতা যদি এভাবে বাড়তে থাকে, তবে এলাকাবাসীর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হবে এবং মানুষ আইনের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস হারাতে পারে।