জাহিদ হোসেন.
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃত্বে নতুনভাবে গড়ে ওঠা গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি চাঁদপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং বাংলাদেশ মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি কমরেড মো. জাহাঙ্গীর হোসেন আজ বিকেলে চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর–হাইমচর) নির্বাচনি এলাকার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তাঁর মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।তিনি জেলা নির্বাচনি রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বাসদের সমন্বয়ক কমরেড দীপালি রানী দাস, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য কমরেড চন্দ্র শেখর মজুমদার ও জেলা কমিটির সদস্য ডা. শ্যামল চন্দ্র ঘোষ, কমিউনিস্ট পার্টির নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সুনীল কৃষ্ণ মাঝি, কৃষক নেতা তাপস কুমার সাহা ও সুমন কৃষ্ণ মাঝি, জেলা যুব ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক কমল চন্দ্র দাস এবং শহর যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম নূর।মনোনয়নপত্র দাখিলের পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কাস্তে মার্কার প্রার্থী কমরেড মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সুষ্ঠু ও আনন্দঘন পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা প্রয়োজন। মানুষ যাতে ভয়হীনভাবে ভোট দিতে পারে, সে ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে মেহনতি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির পথরেখা রচনা করতে বামপন্থী প্রার্থীদের ভোট দেওয়া অনিবার্য হয়ে পড়েছে। অন্যথায় ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ম্লান হবে। ফলে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও বিজ্ঞানবিরোধী প্রতিকূল সমাজ দেখতে হবে, যা হবে নিতান্তই দুঃখজনক।তিনি আরও বলেন, তাই চাঁদপুর-৩ এলাকার সম্মানিত ভোটাররা দল ও ব্যক্তির যোগ্যতা এবং সংগ্রাম দেখে ভোট দেবেন—এটাই তাঁর কামনা।তিনি বলেন, মানুষের মুক্তির পথ সমাজতন্ত্র। তাই শোষণমুক্ত সমাজ গঠন একান্তই প্রয়োজন। দেশের টেকসই অর্থনীতি বিনির্মাণের জন্য কৃষিভিত্তিক কল-কারখানা গড়ে তুলতে হবে। এতে করে কর্মহীনদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এসব বাস্তবায়নের জন্য কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।