স্টাফ রিপোর্টার,মোহাম্মদ চানমিয়া শিকদার.
মহান স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ সম্মানী ৩০০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা বাড়িয়ে সর্বমোট ৫ হাজার টাকা করলেন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক জনাব বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রাফিকুজ্জামান । তার এমন অভূতপূর্ব সাহসী পদক্ষেপকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গোপালগঞ্জের সাধারণ জনগণ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছে শুধু তাই নয় জেলা পরিষদ প্রশাসক জনাব বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রাফিকুজ্জামান ভাসছেন প্রশংসার জোয়ারে । শুধু তাই নয় বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এই সাহসী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে এবং অসংখ্য ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছেন জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রাফিকুজ্জামানের প্রতি । গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন আয়োজিত গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বধ্যভূমি স্মৃতি স্তম্ভ মাঠে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা শরিফ রফিকুজ্জামান বলেন মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়া কাজ করেছেন এবং তার সুযোগ্য সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষেই কাজ করে চলেছেন । তিনি তার বক্তব্য উল্লেখ করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাই নন তিনি স্বাধীনতার ঘোষক এবং জেড ফোর্সের মহানায়ক । বাঙালি জাতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে আজীবন স্মরণ করবে । তিনি আরো বলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথে জনাব তারেক রহমান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসাবে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে রাষ্ট্র ও জনগণের পক্ষে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশ এখন একটা স্থিতির মধ্যে চলমান রয়েছে এই ধারাবাহিকতা চলমান রাখতে মুক্তিযোদ্ধাদের এগিয়ে আসার আহ্বান করেন । জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন বিগত দিনে মহান স্বাধীনতা দিবসের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ সম্মানী ছিল ৩ হাজার টাকা তিনি সেটি ২০০০ টাকা বাড়িয়ে মোট পাঁচ হাজার টাকা করেছেন এই ধারাবাহিকতা পর্যায়ক্রমে চলমান থাকবে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহ্বান জানান । বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তিনি গোপালগঞ্জ উপজেলা বদ্ধভূমিতে দাঁড়িয়ে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা কর্মীদের নিয়ে নিজেই মোনাজাত পাঠ করেন । মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভির এক প্রশ্নের জবাবে জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন হাসপাতাল থানা ফাড়ি সমাজ ও সামাজিকতায় প্রত্যেকটি জায়গায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান যথাযথভাবে পালন করবার আহব্বান জানান সরকারের নীতি নির্ধারক ব্যক্তিবর্গের প্রতি । মহান স্বাধীনতা দিবসের উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মহোদয় পুলিশ সুপার মহোদয় সকল থানার ওসি মহোদয় ইউএনও মহোদয় জেলা আনসার কমান্ডেন্ট মহোদয় সকল সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ।পরিশেষে তিনি জেলা পরিষদ নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবের উপস্থিতিতে মহান স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ সম্মানি হিসাবে ৫০০০ টাকার চেক তুলে দেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ।