বাংলাদেশ সরকার আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি অর্থনৈতিক কৌশলগত পরিকল্পনার খসড়া তৈরি করেছে, যেখানে আইসিটি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনায় আইসিটি খাতে প্রায় ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রতিবছর ২০ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।দেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশে উন্নীত করা, মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামানো এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।আইসিটি খাতে সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে উচ্চগতির ইন্টারনেট, সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যার শিল্প উন্নয়ন এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার উন্নয়নেও জোর দেওয়া হয়েছে।রপ্তানি খাতে পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, চামড়া, কৃষি ও মৎস্য পণ্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বৈচিত্র আনা হবে। জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।এ ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, ব্যবসা সহজীকরণ, ব্লু ইকোনমি ও সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়ন, পর্যটন খাত শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে “এক গ্রাম এক পণ্য” উদ্যোগের কথাও বলা হয়েছে।