মোঃচান মিয়া শিকদার, স্টাফ রিপোর্টার.
গত শুক্রবার দিবাগত রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকান্দি এলাকায় প্রবাসীর ভাড়া বাসায় ভাড়া থাকতেন কথিত ফোরকান মোল্লা পেশায় প্রাইভেটকার চালক। এক স্ত্রী তিন কন্যা এই নিয়ে চলছিল তাদের সুখের সংসার । দীর্ঘদিন যাবত উক্ত এলাকায় থাকার সুবাদে ফুলকুমার মিয়া জড়িয়ে পড়েন বকাটে যুবকদের সাথে । বখাটে যুবকদের সাথে মিশে ধীরে ধীরে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি । একপর্যায়ে মাদকের টাকা জোগাড় করতেই তিনি স্ত্রীকে চাপ দিতে থাকেন বিভিন্ন সময়ে মারধারও করতে থাকেন সে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে খাবারের সাথে চেতনা আসুক ঔষধ মিশিয়ে তিন কন্যা এবং স্ত্রী ও একদিন আগে ডেকে নিয়ে আসা শ্যালকে নিজ হাতে জবাই করে হত্যা করেন । এলাকাবাসীর তথ্যের বরাত দিয়ে জানা যায় সকাল বেলায় উক্ত ঘটনা জানাজানি হলে উক্ত এলাকায় একপ্রকার চঞ্চল্য সৃষ্টি হয় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এরপর মুহূর্তেই নিহত ব্যক্তিদের আত্মীয়-স্বজন আসতে শুরু করেন । এবং পরবর্তীতে পুলিশি পাহারায় সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর ২৫০ বিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় । সকল কার্য সম্পাদন করে উক্ত পাঁচটি লাশ নিয়ে আসা হয় গোপালগঞ্জ সদরের নিহতদের নিজ বাড়ি পাইককান্দি নিজ গ্রামে। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ চেতনা টিভি ক্যামেরা সরাসরি ফোরকান মোল্লার স্ত্রী নিহত শারমিনের বাবার কাছে জানতে চাইলে এক প্রশ্নই জবাবে তিনি বলেন আমার মেয়েকে প্রতিনিয়ত যন্ত্রণা দিত অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করত এবং মাদকের জন্য টাকা চাইতো জামাই ফোরকান মোল্লা মাদকের এডিক্টেড ছিলেন বলে তিনি জানান । আজ মঙ্গলবার গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা রফিকুজ্জামান সরাসরি নিহতদের নিজ বাড়িতে অবস্থান গ্রহণ করে তাদের সার্বিক খোঁজ খবর নেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক মহোদয় বলেন উক্ত আসামী ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপরতা বাড়ানোর জন্য অলরেডি তিনি বলে দিয়েছেন সেই সাথে এত পরিবার বর্গের প্রতি গভীর সম্ভাবনা জ্ঞাপন করেন । জেলা পরিষদ প্রশাসকের পক্ষ থেকে এবং গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ডিসির ত্রাণ তহবিল থেকে বিশেষ আর্থিক অনুদান দেবেন বলে আশ্বস্ত করেন । অবশেষে গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক জনাব রাফিকুজ্জামান বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে নিহতদের বাসভবন ত্যাগ করেন ।