কক্সবাজার প্রতিনিধি.
কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা চাঁ-বাগান স্টেশন সংলগ্ন নাইক্ষংছড়ি রাস্তার মাথার পশ্চিম পাশের বাড়ি আবুল কালাম প্রকাশ বাবুল এর মেয়ে শাহিনা আক্তার বৃষ্টি (২০) সে বিভিন্ন ছেলেকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠে এই রকম এক ভুক্তভোগী ঈদগাঁহ্ উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামরুল হাসানের ছেলে জাহেদুল ইসলাম নিশান কে টার্গেট করে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং তারা দীর্ঘদিন অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। তাকে সর্ব শান্ত শেষ করে দিয়ে কক্সবাজার খুরুশখুল কাওয়া পাড়া এলাকার এক প্রভাবশালী ও টাকা ওয়ালার সাথে পালিয়েগেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।এর নেতৃত্বদানকারী বৃষ্টির মা বাবা ও অর্থের লোভে বিভিন্ন ছেলের সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে রাখতে সহযোগিতা করেন। এবং আরো গুরুতর অভিযোগ পাওয়া যায় এই সমস্ত অনৈতিক কাজে বৃষ্টি ও তার নানী সব সময় সহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ উঠে। ভুক্তভোগী জাহেদুল ইসলাম নিশান চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি অনার্স প্রথম বর্ষে আইন বিভাগে পড়াশোনা করতেন এবং উক্ত বৃষ্টি নামের মেয়েটি তাকে এমন ভাবে প্রেমের জালে জড়িয়ে নেয় পাশাপাশি নিশান কে কাছে নিয়ে যেতে বৃষ্টি ও তার পরিবার কালো যাদুর সাহায্য নেয় বলেও প্রমাণ পাওয়া যায়। যার কারণে ভুক্তভোগী নিশান তার পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে বৃষ্টি নামের মেয়েটির বাসায় চলে আসে কিন্তু বৃষ্টির পরিবার মনে করে নিশানের অনেক টাকা পয়সা আছে, এটা ভেবে তাকে জায়গা দেয়। পরবর্তীতে বৃষ্টির পরিবার জানে নিশান এখনো পড়াশোনা করে এবং সে স্টুডেন্ট, এটা জানার পর নিশান কে অপমান অপদস্ত করে সব কিছু হাতিয়ে নেওয়ার পর তাড়িয়ে দেয়। ভুক্তভোগী নিশান কে তারা বিভিন্ন ভাবে ব্ল্যাকমেইল করারও চেষ্টা করে। এবং নিশান বৃষ্টি নামের মেয়েটিয় জন্য তার পরিবার পরিজন সব কিছু হারাতে হয় এবং তার একটি সরকারি চাকরিও হারাতে হয় বলে জানা যায়। এমন অবস্থায় ভুক্তভোগীদের বক্তব্য মতে শাহিনা আক্তার বৃষ্টি ও তার পরিবার কে আইনের আওতায় আনার জন্য সর্বোচ্চ মহলের ও আইন রক্ষাকারীর সহযোগিতা কামনা করেন। বিশেষ করে জাহেদুল ইসলাম নিশান এর তীব্র ও নিন্দা প্রতিবাদ জানান ও অপরাধীদের কে আইনের আওতায় আনার জন্য জের দাবি জানান।স্থানীয়রা জানান: এই রকম মাদক এডিকটেট পরিবারের মেয়েদের কে দিয়ে টাকা ওয়ালাদের কে টার্গেট করে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা ইনকাম করা আইন সংঘত খুবই অপরাধ এবং পুরো পরিবার এই জঘন্য কাজের সাথে জড়িয়ে আছেন বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।