
মোঃচানমিয়া শিকদার.
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত জেরে ছোট ভাইয়ের রামদার কোপে বড় ভাই মৃত্যুর শয্যায় । গত ২২/৩/২৬ ( রবিবার ) এলাকাবাসীর তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কোটালীপাড়া উপজেলার লোহারংকো গ্রামের মুত নুর মোহাম্মদ খানের দুই সন্তানের মধ্যে পিতার পৈতৃক জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বিশেষ তথ্যসূত্রের মাধ্যমে জানা যায় মৃত্যুশয্যায় সজ্জিত শামিম খানের কোন সন্তান ছিলনা ।মুলত সেই কারণে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমির অংশটিকে আত্মসাৎ করতে বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আহত শামিম খানকে হুমকি ধামকি ও প্রাণনাশের ভয়-ভীতি দিতেন তার ভাই হাফেজ খান । শুধু তাই নয় হামলাকারী হাফেজ খান তার শ্বশুরবাড়ির ক্ষমতার দাপটে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে বিশেষ তথ্যসূত্রের মাধ্যমে জানা যায় । মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি আহত শামীম খানের এক নিকট আত্মীয়ের নিকট থেকে জানতে পারে আহত শামীম খানের কোন সন্তানাদি না থাকার কারণে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত নিজের অংশের জমিটির উপরে মুসলিম এতিম বাচ্চাদের জন্য একটি এতিমখানা ও মাদ্রাসা তৈরি করতে চেয়েছিলেন । সেই কারণে গত ২২/৩/২৬ রবিবার আনুমানিক দুপুর ১ টার দিকে হাফেজ খান ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন একত্রিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র রামদা রড বাসের লাঠি চাইনিজ কুড়াল সহ অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে শামীম খানের বসত বাড়িতে ঢুকে পড়ে এবং শামীম খানের পরিবার বর্গের প্রতি আক্রমণ করে শামীম খানকে পিটিয়ে ও রামদা দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। শামিম খান ও তার স্ত্রীর আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে এলাকাবাসীদেরকে হাফেজ খান ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন অশ্লীল কুরুচিপূর্ণ ভাষা প্রয়োগ করে ধামকি দিতে দিতে বেরিয়ে যায় । পরবর্তীতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আহত শামিম খানকে প্রথমে কোটালীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরবর্তীতে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে স্থানন্তরিত করা হয় । এ বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার ওসি বলেন এ বিষয়টি তাদের অবগত করা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে । বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে । এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জানা যায় তারা এই নিকৃষ্ট নিন্দনীয় হামলার বিচার দাবি করেন ।