
মোহাম্মদ চানমিয়া সিকদার (স্টাফ রিপোর্টার). ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত গোপালগঞ্জ সদর-২ আসন থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রার্থী হয়েছেন মাওলানা তসলিম হুসাইন সিকদার। গতকাল, ২৮জানুয়ারী বুধবার, মাগরিবের পরে গোপালগঞ্জ সদর থানার অন্তর্গত বুড়াশি মুজিব বাজারে এক উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের অন্যতম একটি ইসলামিক রাজনৈতিক সংগঠন।তিনি জানান, সংগঠনের আমির সাহেবের সাংগঠনিক আদেশে গোপালগঞ্জ সদর-২ আসনে মনোনীত করা হয়েছে, যা গোপালগঞ্জ সদর-২ বাসীর জন্য মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এক নিয়ামত ও বরকত। তিনি আরও বলেন, যদি এই আসন থেকে তিনি নির্বাচিত হন, তবে আগামীতে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক দেশ গড়ার অঙ্গীকার রাখবেন।মাওলানা তসলিম হুসাইন সিকদার বলেন, নির্বাচিত হলে গোপালগঞ্জে কোন প্রকার মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি বরদাস্ত করা হবে না। সকল প্রকার দুর্নীতির প্রতিরোধে তিনি ও তার দল কাজ করবেন। এছাড়াও বস্ত্র, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও বেকারত্ব দূরীকরণসহ মৌলিক চাহিদা পূরণে তিনি ও তার দল গোপালগঞ্জ সদর-২ আসনের সকলের পাশে থাকবেন, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে।তিনি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরীর কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরীর গুণে গোপালগঞ্জ গুণান্বিত। আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরীর জীবনদর্শনের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ সদর-২বাসীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে চান তিনি। তিনি সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখতে চান।মাওলানা তসলিম হুসাইন সিকদার আরও বলেন, ২০১৯-২০ সালের ভয়াবহ করোনা মহামারীর সময় ইসলামী আন্দোলন গোপালগঞ্জ জেলা শাখা জীবনঝুঁকি নিয়ে মনিটরিং টিম তৈরি করে মৃত ব্যক্তির জানাজা সহ ওষুধ, পানি ও অক্সিজেন সরবরাহ করেছে। গোপালগঞ্জের সাধারণ জনগণের কাছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ সদর-২ আসনের সকল জনগণের কাছে হাত-পাখার পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।উক্ত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি, সহ-সভাপতি, উপজেলা সভাপতি, সহ-সভাপতি, বুড়শি ইউনিয়ন সভাপতি, সহ-সভাপতি, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অঙ্গ সহযোগী সংগঠন তথা ইসলামী যুব আন্দোলন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন, ইসলামিক কৃষক আন্দোলন ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।পরিশেষে অনুষ্ঠানটি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।